গোরুখোঁজা করেও ঘোড়াড্ডিম পেলাম না। শেষমেষ হায়দ্রাবাদে ট্রীটমেন্টে গিয়ে ধার নিয়ে এলাম শিংদির থেকে,কিনবার হাজার ইচ্ছে থাকলেও আউট অফ প্রিন্ট, তাই দিদি এই ভাইটির আবদার মেনে একবাক্যে ধার দিয়ে দিল। তারপর ভেল্লোর গিয়ে সেখানে হোটেলে দিনগুলি কাটল "ঘোড়াড্ডিম" নিয়েই।এক এক করে লেখাগুলো পড়ছি, সকাল থেকে দুপুর তারপর সিএনসিতে একটু হাজির হওয়া মামার ট্রীটমেন্ট কদ্দূর এগুলো দেখতে।
তবে সবচেয়ে শেষে যেটা পড়ব বলে তুলে রেখেছিলাম সেটা অবশ্যই Sourav Mukhopadhyayর "রূপকথার জন্মদিন"। একটানে শেষ করেছি উপন্যাসটা। লেখার ধরণ আধুনিক নয় বেশ পুরানো দিনের আনন্দমেলা পূজাবার্ষিকীর কথা মনে করিয়ে দিলেন সৌরভবাবু।
প্রথমেই মনে পড়ে সমরেশ মজুমদারের "সাতকাহন" এর কথা, যদিও সেটি কিশোরপাঠ্য নয়।
আর মনে পড়ে বিমল মিত্রের কিছু কিশোর উপন্যাসের কথাও। বেশ পুরানো আনন্দমেলা পূজাবার্ষিকী দুটো আছে বাড়িতে তার সাল-টালের পাতা নেই। সেখানে পড়েছিলাম "কাহিনীর নায়ক দাশরথি"। সেটি ছিল এক দরিদ্র পিতৃহীন কিশোরের এগিয়ে চলার কাহিনী।
প্রথমেই মনে পড়ে সমরেশ মজুমদারের "সাতকাহন" এর কথা, যদিও সেটি কিশোরপাঠ্য নয়।
আর মনে পড়ে বিমল মিত্রের কিছু কিশোর উপন্যাসের কথাও। বেশ পুরানো আনন্দমেলা পূজাবার্ষিকী দুটো আছে বাড়িতে তার সাল-টালের পাতা নেই। সেখানে পড়েছিলাম "কাহিনীর নায়ক দাশরথি"। সেটি ছিল এক দরিদ্র পিতৃহীন কিশোরের এগিয়ে চলার কাহিনী।
সৌরভবাবুর উপন্যাসটি অবশ্য অনেকটাই আলাদা, তবে পুরানো এইসব হারিয়ে যাওয়া লেখনীকে আবার মনে করিয়ে দিয়েছেন। রহস্যমেলার ঘনঘটাতে এমন জীবনজয়ের কাহিনিগুলি হারিয়ে গেছে। সেটিকে ফিরিয়ে আনলেন সৌরভবাবু। একটুও অতিরিক্ত আবেগময় প্যাচপ্যাচানি, একটুও সোপ অপেরা টাইপ সেন্টিমেন্টাল সুড়সুড়ি, একটুও কাহিনীর মধ্যে দিয়ে একগাদা উপদেশ গেলানোর চেষ্টা নেই তাতে। একদম পাকা রাঁধুনির মাপমত রান্না।


No comments:
Post a Comment